F1 Hybride Ridge Gourd (Kador-1) (10 gm)

0


120.00৳ 

0 out of 5
বিক্রেতার ফোন নম্বর (সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা):
01793730009
Free offer: এখানে আপনার কৃষি পণ্য বিক্রি করুণ
Published on: August 10, 2020
  Ask a Question   Chat Now

ঝিঙ্গা চাষ পদ্ধতি
সব ধরনের মাটিতে ঝিঙা চাষ করা যায়। তবে দো-অাঁশ মাটি ঝিঙা চাষের জন্য বেশি উপযোগী। প্রথমেই জমির আইল ভালোভাবে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে আগাছা পরিষ্কার করে আইলের মাটি নরম ও ঝুরঝুরে করতে হবে। আইল সরু হলে ১.০ মিটার দূরত্বে মাদা তৈরি করে প্রয়োজনীয় পরিমাণ সার দিতে হবে। আইলে উঁচু জায়গা তৈরি করেও ঝিঙা চাষ করা যায়। এ ছাড়া জমির ৪ কোনায় উঁচু জয়গা তৈরি করে ঝিঙা চাষের জন্য উপযোগী করা যায়।
সার ব্যবহারের নিয়ম : আইল তৈরির সময় গোবর, টিএসপি এবং ১০ গ্রাম এমপি সার আইলের মাটির সঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। ইউরিয়া সার এবং অবশিষ্ট এমপি সার দুইভাগে ভাগ করে প্রথম ভাগ বীজ গজানোর ১৫ দিন এবং দ্বিতীয় ভাগ বীজ গজানোর ৩০ দিন পর উপরি প্রয়োগ করতে হবে। বীজ গজানোর পর সময়মতো ইউরিয়া এবং এমপি সার উপরি প্রয়োগ করতে হবে। সার প্রয়োগের পর আইলের মাটি ভালোভাবে আলগা করে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিতে হবে।
বীজ বপনের হার : প্রতি আইলে ১০ থেকে ২২টি গাছ লাগানো যেতে পারে।
বীজ বপন : ঝিঙার বীজ গজাতে বেশ সময় লাগে। তাই বীজ বপনের আগে বীজ পানিতে ৮-১০ মিনিট ভিজিয়ে নিতে হবে। এতে বীজের অঙ্কুরোদগম সহজে এবং খুব তাড়াতাড়ি গজায়। প্রতি মাদায় ৩-৪টি করে বীজ বপন করা যায়। আইলের আগাছা জন্ম নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা দমনের ব্যবস্থা করতে হবে।
বীজ বপনের সময় : ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত ঝিঙা চাষের জন্য বীজ বপন করা যায়। প্রতি গাছ থেকে গাছ ১ মিটার।
অঙ্কুরোদগমনের সময় : সাধারণত ৫-৭ দিন সময় লাগে। তবে সংরক্ষিত বীজের মান যদি খুব ভালো না হয় তবে অনেক ক্ষেত্রে ১০-১৫ দিনও লেগে যায়।
শূন্যস্থানপূরণ : বীজ বপন সঠিকভাবে করা হলেও অনেক স্থানে বীজ গজায় না। সেক্ষেত্রে ওই স্থানে আবার নতুন করে বীজ বপন করা যায়। গাছের বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বাউনি বা মাচা দিতে হবে।
পোকা দমন : বিটল নামের পোকা গাছের পাতা খেয়ে ফেলে।
এ ছাড়া গান্ধি পোকা পাতার রস চুষে খায়। একধরনের ক্ষুদ্র মাছি ফল নষ্ট করে দেয়। পাতার ওপরের কা-ে এবং ফলে সাদা সাদা পাউডারজাতীয় পদার্থ দেখা যায় যা পাতা নষ্ট করে দেয়। এ জাতীয় পাউডার মিল ডিউ রোগের আক্রমণে ফল ছোট হয়। পাতার নিচের দিকে ধূসর বেগুনি রঙ ধারণ করে। আক্রান্ত পাতা ও গাছ দুর্বল হয়ে মারা যায়। সেক্ষেত্রে কৃষিকর্মকর্তার পরামর্শ নিয়ে পোকার দমন ব্যবস্থা করতে হবে।
ফলন সংগ্রহ : বীজ বপনের ৪৫-৫৫ দিনের পর থেকে ফসল সংগ্রহ শুরু করা যায়। প্রতি আইলে ২৫-৩৫ কেজি ঝিঙা পাওয়া যায়।
ঝিঙ্গার বীজ উৎপাদনের কলাকৌশল
ঝিঙ্গা বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় গ্রীষ্মকালীন সবজি। এর প্রতি ১০০ গ্রাম ভক্ষণযোগ্য অংশের মধ্যে রয়েছে ০.৫ গ্রাম প্রোটিন, ৩৩.৬ মাইক্রো গ্রাম বিটা-ক্যারোটিন, ৫ মিগ্রা ভিটামিন সি, ১৮ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম এবং ২৭ মিলিগ্রাম ফসফরাস।
জলবায়ু ও মাটি
দীর্ঘ সময়ব্যাপী উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া এবং প্রচুর সূর্যালোক থাকে এমন এলাকা ঝিঙ্গা চাষের জন্য উত্তম। সুনিষ্কাশিত উচ্চ জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ দোঁআশ মাটি ঝিঙ্গার সফল চাষের জন্য উত্তম।জাত
বারি ঝিংগা -১
• আকর্ষণীয় গাঢ় সবুজ রংয়ের ফল।
• লম্বা গড়ে ২৭ সেমি, ওজন ১২৫ গ্রাম।
• হেক্টর প্রতি ফলন ১০-১৫ টন।
• ২০০৮ সালে অবমুক্তজীবনকাল
১২০-১৪০ দিন।বীজ বপনের সময়
ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত বীজ বপনের উপযুক্ত সময়।বীজ হার
হেক্টর প্রতি ৩-৪ কেজি বা শতাংশ প্রতি ১২-১৫ গ্রাম বীজের প্রয়োজন হয়।জমি নির্বাচন এবং তৈরিঃ ঝিঙ্গা চাষে সেচ ও নিকাশের উত্তম সুবিধাযুক্ত এবং পর্যাপ্ত সূর্যালোক প্রায় এমন জমি নির্বাচন করতে হবে। একই গাছের শিকড় বৃদ্ধির জন্য জমি এবং গর্ত উত্তমরুপে তৈরি করতে হয়। এ জন্য জমিকে প্রথমে ভাল ভাবে চাষ ও মই দিয়ে এমনভাবে তৈরি করতে হবে যেন জমিতে কোন বড় ঢিলা এবং আগাছা না থাকে।বেড তৈরিঃ বেডের উচ্চতা হবে ১৫-২০ সেমি। বেডের প্রস্থ হবে ১.২ মিটার এবং লম্বা জমির দৈঘ্য অনুসারে সুবিধামত নিতে হবে। এভাবে পরপর বেড তৈরি করতে হবে। এরূপ পাশাপাশি দুইটি বেডের মাঝখানে ৬০ সেমি ব্যাসের সেচ ও নিকাশ নালা থাকবে এবং ফসল পরিচর্যার সুবিধার্থে প্রতি দুবেড পর পর ৩০ সেমি প্রশস্ত নালা থাকবে।
মাদা তৈরি ও চারা রোপণঃ মাদার আকার হবে ব্যাস ৫০ সেমি, গভীর ৫০ সেমি এবং তলদেশ ৫০ সেমি। ৬০ সেমি প্রশস্ত সেচ ও নিকাশ নালা সংলগ্ন উভয় বেডের কিনারা হইতে ৬০ সেমি বাদ দিয়ে মাদার কেন্দ্র ধরে ২ মিটার অন্তর অন্তর এক সারিতে মাদা তৈরি করতে হবে। প্রতি বেডে এক সারিতে ১৬-১৭ দিন বয়সের চারা লাগাতে হবে।
ঝিংগায় সারের পরিমাণ ও প্রয়োগ পদ্ধতি
সারের নাম মোট পরিমাণ
(হেক্টর প্রতি) মোট পরিমাণ (শতাংশ প্রতি) জমি তৈরির সময় (শতাংশ প্রতি) চারা রোপণের ৭-১০
দিন পূর্বে চারা রোপণের ১০-১৫
দিন পর চারা রোপনের ৩০-৩৫
দিন পর চারা রোপনের ৫০-৫৫
দিন পর চারা রোপনের ৭০-৭৫
দিন পর
পচা গোবর ২০ টন ৮০ কেজি ২০ কেজি ৫ কেজি – – – –
টিএসপি ১৭৫ কেজি ৭০০ গ্রাম ৩৫০গ্রাম ৩০ গ্রাম – – – –
ইউরিয়া ১৭৫ কেজি ৭০০ গ্রাম – – ১৫ গ্রাম ১৫ গ্রাম ১৫ গ্রাম ১৫ গ্রাম
এমপি ১৫০ কেজি ৬০০গ্রাম ২০০ গ্রাম ২০ গ্রাম ১৫ গ্রাম – – –
জিপসাম ১০০ কেজি ৪০০ গ্রাম ৪০০ গ্রাম – – – –
দস্তা সার ১২.৫ কেজি ৫০ গ্রাম ৫০ গ্রাম – – – – –
বোরাক্স ১০ কেজি ৪০ গ্রাম ৪০ গ্রাম – – – – –
ম্যাগনেশিয়াম ১২.৫কেজি ৫০ গ্রাম – ৫ গ্রাম – – – –
অক্সাইড
পরবর্তী পরিচর্যা
• সেচ দেওয়াঃ ঝিংগা গ্রীষ্মকালে চাষ করা হয়। গ্রীষ্মকালে মাঝে মাঝে বৃষ্টি হয় বলে তখন সবসময় পানি সেচের প্রয়োজন নাও হতে পারে। কিন্তু ফেব্রুয়ারির শেষ সময় থেকে মে মাস পর্যন্ত খুব শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করে। তখন অনেক সময় কারণ বৃষ্টিই থাকে না। উক্ত সময়ে ৫-৬ দিন অন্তর নিয়মিত পানি সেচের প্রয়োজন হয়।• বাউনি দেওয়াঃ ঝিংগার কাংখিত ফলন পেতে হলে অবশ্যই মাচায় চাষ করতে হবে। ঝিংগা মাটিতে চাষ করলে ফলের একদিক বিবর্ণ হয়ে বাজারমূল্য কমে যায়, ফলে পচন ধরে এবং প্রাকৃতিক পরাগায়ন কম হওয়ায় ফলন হ্রাস পায়।• মালচিং সেচের পর জমিতে চটা বাধেঁ। চটা বাধঁলে গাছের শিকড়াঞ্চলে বাতাস চলাচল ব্যাহত হয়। কাজেই প্রত্যেক সেচের পর হালকা মালচ করে গাছের গোড়ার মাটির চটা ভেঙ্গে দিতে হবে।• সার উপরি প্রয়োগঃ চারা রোপণের পর গাছ প্রতি সারের উপরি প্রয়োগের যে মাত্রা উল্লেখ করা আছে তা প্রয়োগ করতে হবে।
ফল ধারণ বৃদ্ধিতে কৃত্রিম পরাগায়ন
ঝিংগার পরাগায়ন প্রধানতঃ মৌমাছির দ্বারা সম্পন্ন হয়। প্রাকৃতিক পরাগায়নের মাধ্যমে বেশী ফল ধরার জন্য হেক্টর প্রতি তিনটি মৌমাছির কলোনী স্থাপন করা প্রয়োজন। এছাড়াও কৃত্রিম পরাগায়ন করে ঝিংগার ফলন শতকরা ২০-২৫ ভাগ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা সম্ভব।
ঝিংগার ফুল বিকালে ফোটে। বিকাল ৪ঃ০০ সন্ধ্যার মধ্যে ফুল ফোটা শেষ হয়। এর পরাগায়ন ফুল ফোটার পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এবং পরদিন সকালের অগ্রভাগে হয়। ঝিঙ্গার কৃত্রিম পরাগায়নে ভাল ফলন পাওয়া যায়। কৃত্রিম পরাগায়নের নিয়ম হলো ফুল ফোটার পর পুরুষ ফুল ছিড়েঁ নিয়ে ফুলের পাপড়ি অপসারণ করা হয় এবং ফলের পরাগধানী (যার মধ্যে পরাগরেণু থাকে) আস্তে করে স্ত্রী ফুলের গর্ভমুন্ডে (যেটি গর্ভাশয়ের পিছনে পাপড়ির মাঝখানে থাকে) ঘষে দেয়া হয়।
ফসল তোলা (ভক্ষণযোগ্য পরিপক্কতা সনাক্তকরণ)
• ঝিঙ্গার ফল পরাগায়নের ৮-১০ দিন পর সংগ্রহের উপযোগী হয়।
• ফল মসৃণ ও উজ্জল দেখাবে।
ফলন
ভালো জাত উর্বর মাটিতে উত্তমরুপে চাষ করতে পারলে হেক্টর প্রতি ১০-১৫ টন (শতাংশ প্রতি ৪০-৬০ কেজি ) ফলন পাওয়া সম্ভব।

User Reviews

0.0 out of 5
0
0
0
0
0
Write a review

There are no reviews yet.

Be the first to review “F1 Hybride Ridge Gourd (Kador-1) (10 gm)”

Your email address will not be published. Required fields are marked *

No more offers for this product!

General Inquiries

There are no inquiries yet.

[mwb_wrp_category_products count=8]
KrishiMela
Logo
Register New Account
Reset Password
Chat Now
Chat Now
Questions, doubts, issues? We're here to help you!
Connecting...
None of our operators are available at the moment. Please, try again later.
Our operators are busy. Please try again later
:
:
:
Have you got question? Write to us!
:
:
This chat session has ended
Was this conversation useful? Vote this chat session.
Good Bad