- 9%

মানিক হাইব্রিড তরমুজ বীজ-১০ গ্রাম

0

মানিক হাইব্রিড তরমুজ  একটি সুস্বাদু এবং গরমের সময়  অত্যন্ত তৃপ্তিদায়ক ও তৃষ্ণা নিবারক একটি ফল। আমাদের দেশে যেসব উন্নতমানের তরমুজ পাওয়া যায় তা দেশের বাইরে থেকে আমদানিকৃত সংকর জাতের বীজ থেকে চাষ করা হয়ে থাকে।

320.00৳ 

3 out of 5
বিঃ দ্রঃপণ্যের দামের সাথে ডেলিভারি চার্জ যোগ হতে পারে। বিক্রেতার ফোন নম্বর (10AM-5PM) :
+8801779529512
from 0 pcs.
320.00৳  320.00৳ 
Published on: January 10, 2022

Item will be shipped in 1-2 business days
  Ask a Question
SKU: 04ccc1b552d3 Category: Tag:

মানিক হাইব্রিড তরমুজ বীজ-১০ গ্রাম

জাতঃ হাইব্রিড F1

বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানঃ ইস্পাহানি এগ্রো লিমিটেড

হাইব্রিড তরমুজ মার্ভেলাস কালোমানিকের বৈশিষ্ট্যঃ

  • ফল আকর্ষণীয় কালচে রঙ্গের, শাস টকটকে লাল, সুমিষ্ট ও রসালো।
  • প্রতিটি তরমুজের সর্বোচ্চ ওজন ৮-১০ কেজি।
  • সহজেই দূর পরিবহনযোগ্য।
  • প্রতিটি গাছে ২-৩ টি তরমুজ ধরে।
  • অধিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন এ জাতের তরমুজ ৬০-৬৫ দিনে ফসল সংগ্রহ করা যায়।
  • পরিমাণঃ ১০ গ্রামের প্যাকেট
  • মার্ভেলাস – কালো মানিক ফল আকর্ষণীয় কালচে বর্ণের।
  • শাঁস টকটকে লাল, সুমিস্ট ও রসালো।
  • প্রতিটি তরমুজের সর্বোচ্চ ওজন ৮-১০ কেজি।
  • ফল সহজে দূর পরিবহন যোগ্য।
  • প্রতিটি গাছে গড়ে ২-৩ টি তরমুজ ধরে।
  • ব্রিক্স ১২-১৩%। অধিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন।
  • রোপনের ৬০-৬৫ দিনের মধ্যে ফসল সংগ্রহ শুরু করা যায়।
  • একর প্রতি ফলন ৩০-৩৫ টন

মানিক হাইব্রিড তরমুজ বীজ-১০ গ্রাম

তরমুজ একটি সুস্বাদু এবং গরমের সময়  অত্যন্ত তৃপ্তিদায়ক ও তৃষ্ণা নিবারক একটি ফল। আমাদের দেশে যেসব উন্নতমানের তরমুজ পাওয়া যায় তা দেশের বাইরে থেকে আমদানিকৃত সংকর জাতের বীজ থেকে চাষ করা হয়ে থাকে।

জলবাযু ও মাটিঃ শুষ্ক,উষ্ণ ও প্রচুর সুয্যের আলো পায় এমন স্থানে তরমুজ ভালো হয়ে থাকে। তবে অধিক আর্দ্রতা তরমুজ চাষের জন্য ক্ষতিকর। খরা ও উষ্ণ তাপমাত্রা সহনশীলতা তরমুজের অনেক বেশি। উর্বর দোআঁশ ও বেলে দোআঁশ মাটি তরমুজ চাষের জন্য উত্তম।

জমি তৈরিঃ প্রয়োজন অনুযায়ী চাষ ও মই দিয়ে তরমুজ চাষের জমি তৈরি করতে হবে। জমি তৈরির পর মাদা তৈরি করে নিতে হবে। মাদাতে সার প্রয়োগের পরে চারা লাগাতে হবে।

তরমুজের জাতঃ তরমুজের আধুনিক জাতসমূহের মধ্যে টপইল্ড, গ্লোরী, সুগার বেবি, বেবি তরমুজ (বারোমাসি ), ( ভিক্টর সুপার F1, ওসেন সুগার F1, ব্লাক জায়ান্ট F1,বঙ্গ লিংক F1,গ্রীন ড্রাগন ইত্যাদি) জাতগুলো নভেম্বর-ডিসেম্বর পর্যন্ত বপন করা যাবে। এছাড়াও ( সুপার এম্পেরর, ট্রপিক্যাল ড্রাগন,আনারকলি, চ্যাম্পিয়ন, ব্ল্যাক ডায়মণ্ড, ব্যাক সান) এগুলো ভাদ্র থেকে মাঘ মাস পর্যন্ত চাষ করা যায়।

বংশ বিস্তারঃ বীজ দ্বারা সাধারণত তরমুজের বংশবিস্তার করা হয়ে থাকে।

বীজ বপন সময়/রোপণের সময়ঃ বাংলাদেশের আবহাওয়া অনুযায়ী সাধারণত জানুয়ারি থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত সময় তরমুজ চাষের উপযোগী। এছাড়াও আগাম কিছু জাত আছে যেগুলো নভেম্বর-ডিসেম্বর পর্যন্ত বপন করা যাবে। তবে বীজ বোনার জন্য জানুয়ারির শেষ থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম পক্ষ সর্বোত্তম। আগাম ফসল পাওয়ার ক্ষেত্রে জানুয়ারির শুরুতে বীজ বুনলে  শীতের হাত থেকে কচি চারা রক্ষার ব্যবস্থা নিতে হবে।

বপন/রোপণ পদ্ধতিঃ সাধারণত মাদায় সরাসরি বীজ বপন পদ্ধতি প্রচলিত থাকলেও চারা তৈরি করে মাদাতে চারা রোপণ করাই উত্তম।

বীজ বপনঃ প্রতি মাদায় ৪-৫টি বীজ বপন করা যাবে। তবে বীজ বপনের ৮-১০ দিন আগে মাদা তৈরি করে মাটিতে সার মিশাতে হয়। ২ মিটার দূরে দূরে সারি করে প্রতি সারিতে ২ মিটার অন্তর মাদা করতে হবে। প্রতিটি মাদা সাধারণত ৫০ সেমি. প্রশস্ত ও ৩০ সেমি.গভীর হতে হবে। চারা গজানোর পর প্রতি মাদায় দুটি করে চারা রেখে বাকিগুলো তুলে ফেলাই উত্তম।

চারা রোপণঃ বীজ বপণের চেয়ে তরমুজ চাষের ক্ষেত্রে চারা রোপণ করাই উত্তম। এতে বীজের অপচয় কম হবে। চারা তৈরির ক্ষত্রে ছোট ছোট পলিথিনের ব্যাগে বালি ও পচা গোবর সার ভর্তি করে প্রতিটি পলিব্যাগে ১ টি করে বীজ বপন করতে হবে। পরবর্তীতে ৩০-৩৫ দিন বয়সের ৫-৬ পাতাবিশিষ্ট ১ টি চারা মাদায় রোপণ করতে হবে।

বীজের পরিমাণঃ জাতভেদে প্রতি শতকে ১.৫-২ গ্রাম বীজের প্রয়োজন হয়।

 

Videos: মানিক হাইব্রিড তরমুজ বীজ-১০ গ্রাম

No more offers for this product!

General Inquiries

There are no inquiries yet.

Change
KrishiMela
Logo
Register New Account
Reset Password