বীজশূণ্য বেল (Seedless Bel) কলম চারা

0


৳ 90.00

বিক্রেতার ফোন নম্বর (সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা):
01751924144
Free offer: এখানে আপনার কৃষি পণ্য বিক্রি করুণ
Published on: July 11, 2020
Item will be shipped in 3-5 business days
  Ask a Question   Chat Now

বেল বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দেশীয় ফল। ইংরেজীতে একে Beal বা Bengal quince বলা হয়। বেল মূল্যবান ভেষজ গুণসম্পন্ন অতি উপকারী ফল। বহু ফলের বহুগুণ এ ফলে সঞ্চিত রয়েছে বলে একে মহাফল বলা হয়ে থাকে। আসুন জেনে নেই বেল ফলের চাষ করার পদ্ধতি। 

বেলের বিভিন্ন ধরণের ব্যবহার

ক) টাটকা অবস্থায় শরবত আকারে বেল খাওয়া হয়। কাঁচা বেলের মোরব্বা ও জেলি অত্যন্ত সুস্বাদু।

খ) বেলের পাউডার, দানা এবং পোড়া দিয়েও খাওয়া হয়। 

গ) বেলে সেলুলোজ এবং পেকটিন জাতীয় শর্করা বেশি থাকায় ভালো জ্যাম ও জেলি প্রস্ততের প্রচুর সম্ভবনা রয়েছে।

ঘ) পেটের পীড়ায়, আমাশয় ও কোষ্ঠবদ্ধতায় বেল ও বেলের শরবত অত্যন্ত উপকারী। 

বেল চাষে উপযুক্ত জমি ও মাটি তৈরি

ক) বেল কষ্ট সহিষ্ণু গাছ এবং যে কোন ধরণের মাটিতে জন্মাতে পারে।

খ) তবে খেয়াল রাখবেন নির্বাচিত মাটি যেন সুনিষ্কাশিত হয়। 

গ) পূর্ণ রৌদ্রমুক্ত স্থানে বেলের চাষ করা উচিৎ।

বেলের উপযুক্ত জাত নির্বাচন

ক) বাংলাদেশের বেলের কোন অনুমোদিত জাত নেই। আমাদের দেশের সর্বত্র অসংখ্য জাতের বেল দেখা যায়।

খ) যে জাতের ফলের শাঁস মোলায়েম, সুগন্ধী ও কম আঁশময় এবং ফলে বীজ নেই এ ধরণের জাত সর্বোত্তম। 

চাষের উপযুক্ত জমি তৈরি ও চারা রোপন

ক) বাগানের পরিমাণ মত বেলের চাষ করতে হবে। একটি চারা হতে অপর চারার দূরত্ব হবে ১০ মিটার। 

খ) নির্ধারিত দূরত্বে ৫০ সে.মি. চওড়া ও ৫০ সে.মি. গভীর গর্ত করে প্রতি গর্তে ১০ কেজি পচা গোবর বা আবর্জনা পচা সার, ২৫০ গ্রাম টিএসপি ও ১৫০ গ্রাম এমওপি সার ভালভাবে মিশিয়ে গর্তটি পুনরায় ভরাট করতে হবে। 

গ) সার মিশানো মাটি দিয়ে গর্ত ভরাট করে  ৮-১০ দিন পর প্রতি গর্তে একটি করে চারা রোপণ করতে হবে। 

ঘ) চারা লাগানোর পর বর্ষা না হলে চারার গোড়ায় পানি সেচ দিয়ে গর্তের মাটি ভালো করে ভিজিয়ে দিতে হবে।

সার প্রয়োগ/ব্যবস্থাপনা

ক) চারা রোপণের পরবর্তী বছর থেকে গাছ প্রতি ১৫-২০ কেজি পচা গোবর বা আবর্জনা পচা সার ব্যবহার করতে হবে।

খ) সারের অভাবে অনেক সময় কচি বেল ঝরে পড়ে। তাই ফলন্ত গাছে কার্তিক-অগ্রহায়ণ মাসে কিছু ইউরিয়া, টিএসপি ও এমওপি সার গোড়ার মাটির সাথে মিশিয়ে দিলে ভাল ফলন পাওয়া যায়।

সেচ ও পানি নিষ্কাশন

ক) ফাল্গুন- চৈত্র মাসে ফুল ও ফল ধরে।, এ সময় থেকে বর্ষার আগ পর্যন্ত ১০-১৫ দিন পর পর পানি সেচ দেয়া ভালো।

খ) বড় গাছে সেচ দেয়ার প্রয়োজন হয় না বললেই চলে।

আগাছা ও নিড়ানি

ক) ঝড় বা বাতাসে চারা হেলে বা পড়ে না যায় সেজন্য গোড়া থেকে ১০-১৫ সে.মি. দূরে একটি শক্ত কাঠি পুঁতে তাঁর সাথে চারা বেঁধে দিতে হবে।

খ) কোন কারণে যদি চারা নষ্ট হয় কিংবা মারা যায় যত শিঘ্রই সম্ভব সে স্থানে নতুন করে চারা লাগিয়ে পূরণ করে দিতে হবে।

গ) চারার গোড়ায় যেন আগাছা না জন্মে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। নিয়মিত নিড়ানি দিয়ে পরিষ্কার করে দিতে হবে।

ঘ) চারা অবস্থায় ১-২ মিটারের মধ্যে গজানো ডালপালা ছেঁটে দিলে কাঠামো ঠিক থাকে।

পোকামাকড় ও রোগদমন

ক) বেল গাছে সচরাচর যে পোকা দেখা যায় তা হলো মাইট। এদের আক্রমণে পাতার উপর চকচকে দাগ দেখা যায় এবং পাতা কুকড়িয়ে যায়।

খ) অনুমোদিত কীটনাশক ব্যবহার করে এ পোকা দমন করা যায়।

গ) এছাড়া বেল গাছে তেমন কোন মারাত্মক পোকার আক্রমণ দেখা যায় না।

ফল সংগ্রহ

ক) বীজের গাছে ফল আসতে ৬-৭ বছর সময় লাগে। আর কলমের গাছে ৫-৬ বছরের মধ্যে ফল আসে।

খ) গাছের বয়স ১০ বছর না হলে ভালো ফলন হয় না। ফুল ধরার সময় হতে ফল পাকতে এক বছর সময় লাগে।

গ) মার্চ-এপ্রিল মাসে ফুল আসে এবং পরের বছর ফেব্রুয়ারী–এপ্রিল মাসে ফল পাকে। ফল সম্পূর্ণ পাকার পর মাটিতে না ফেলে একটি একটি করে বোটাসহ ফল সংগ্রহ করা উচিৎ।

ঘ) একটি পূর্ণবয়স্ক গাছ থেকে বছরে ১৫০-২০০ টি বেল পাওয়া যায়।

No more offers for this product!

General Inquiries

There are no inquiries yet.

0
VERMICOMPOST FERTILIZER
0
৳ 30.00
1
হাইড্রোপনিক স্টক সলিউশন (Hydroponic Stock Solution)
1
৳ 500.00 ৳ 300.00
40%
0
Amaryllis lily
0
৳ 150.00 ৳ 120.00
20%
0
DO Test Kit
0
৳ 1,750.00
0
ইমহোপ কোন ( imhoff cone )
0
৳ 6,200.00
Change
Logo
Register New Account
Reset Password
Chat Now
Chat Now
Questions, doubts, issues? We're here to help you!
Connecting...
None of our operators are available at the moment. Please, try again later.
Our operators are busy. Please try again later
:
:
:
Have you got question? Write to us!
:
:
This chat session has ended
Was this conversation useful? Vote this chat session.
Good Bad