বারোমাসি ডাটা বীজ – ভূটান সিন্তা (১ গ্রাম)

0


15.00৳ 

Sold By:  Sobuj Bij Bhandar
0 out of 5
বিক্রেতার ফোন নম্বর (সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা):
01777811155
Free offer: এখানে আপনার কৃষি পণ্য বিক্রি করুণ
Published on: August 27, 2020
  Ask a Question   Chat Now

ডাটা চাষ রবি (শীতকালে) ও খরিফ
(গ্রীষ্মকালে) উভয় মৌসুমে
শাক-সবজি হিসেবে করা যায়।
ডাটায় পর্যাপ্ত পরিমাণে
ভিটামিন-এ, বি, সি, ডি এবং ক্যালসিয়াম
ও লৌহ বিদ্যমান।
ডাটার কাণ্ডের চেয়ে পাতা বেশি পুষ্টিকর।
খুব কম সবজিতে এত পরিমাণে বিভিন্ন প্রকার ভিটামিন ও খনিজ লবণ থাকে।
বপন সময়ঃ
খরিফ মৌসুম (মার্চ-এপ্রিল)
ও রবি মৌসুম (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর)।
বীজ হারঃ
বিঘা প্রতি ১৯৮-৩৩০ গ্রাম বীজ প্রয়োজন অথবা, শতাংশ প্রতি ৬-১০ গ্রাম বীজ প্রয়োজন।
জমি তৈরিঃ প্রায় সোয়া দুই হাত (২.১৮ হাত) প্রশ্বস্ত এবং প্রয়োজনীয় পরিমাণ লম্বা করে বেড তৈরি করতে হবে।দুবেডের মাঝে এক ফুট (৩০ সেমি.) নালা থাকবে।
বীজ বপনঃ বীজ সরাসরি ছিটিয়ে অথবা লাইন করে বপন করা যায়। লাইনের ক্ষেত্রে বেডের উভয় পাশে ১০ সেমি.বাদ রেখে লম্বালম্বি ২০ সেমি. দূরে দূরে লাইন করে বীজ বপন করতে হবে। বপনের পর কাঠি বা হাতদিয়ে ঢেকে দিতে হবে। বীজ বপনের সময় সম পরিমাণ ছাই বা বালি মিশিয়ে বপন করলে সমভাবেপড়বে। জমিতে রস না থাকলে ঝাঝরি দিয়ে হালকা সেচ দিতে হবে।
ভালো স্বাদ পাওয়ার জন্য পাতা নরম বা মোলায়েম অবস্থায় শাক সংগ্রহ করতে হবে। কীটনাশক প্রয়োগ করে থাকলে ৫-৭ দিন পর শাক সংগ্রহ করতে হবে।
ফলনঃ বিঘা প্রতি ৩৩-৪০ মণ
ডাঁটা চাষে সার ব্যবস্থাপনাঃ
সারের নাম শতকের জন্য
পচা গোবর/কম্পোস্ট ৪০কেজি
ইউরিয়া ২৬৪গ্রাম
টিএসপি ৮০০গ্রাম
এমওপি ৬০০গ্রাম
সার প্রয়োগ পদ্ধতিঃ সমুদয় গোবর, টিএসপি, অর্ধেক ইউরিয়া এবং পটাশ সার শেষ চাষের সময় সমানভাবে ছিটিয়ে মাটিতে মিশিয়ে দিতে হবে। বীজ বপনের ১৫ দিন পর অবশিষ্ট পটাশ এবং ইউরিয়া সার উপরি প্রয়োগ করতে হবে।
গাছ পাতলাকরণ ও আগাছা দমনঃ বীজ বপনের এক সপ্তাহ পর গাছ পাতলা করণ ও আগাছা পরিষ্কার করতে হবে। সারিতে ৫সেমি. পর পর চারা রেখে পাতলা করে দিতে হবে। জমির উপর চটা লেগে গেলে ভেঙ্গেদিতে হবে। এতে করে দ্রুত গাছ বৃদ্ধি পাবে এবং গোড়া পচা রোগ থেকে রক্ষা পাবে।
পানি সেচঃ শুষ্ক মৌসুমে এক সপ্তাহ পর পর সেচ দিতে হবে। নতুবা শাক খসখসে হয়ে যাবে।
রোগবালাই ও দমন ব্যবস্থা
রোগবালাই:
এন্থ্রাকনোজ বা ফল পচা
মরিচা রোগ
দমন ব্যবস্থা:
এনথ্রাকনোজ বা ফলপঁচা:
১। রোগমুক্ত ভাল বীজ ব্যবহার করতে হবে। ঝরণা দিয়ে গাছে পানি সেচ দেওয়া যাবে না।
২। অনুমোদিত ছত্রাকনাশক ব্যাভিষ্টিন/ নোইন বা একোনাজল বীজ ফসলে আক্রমণের শুরুতেই প্রয়োগ করতে হবে।
৩। ডটিার বীজ-ফসলে অব্যশই ছত্রাকনাশক প্রয়োগ করে বীজ রোগমুক্ত রাখতে হবে।
মরিচা রোগ :
১। ডাইথেন এম-৪৫ নামক ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১.৫ গ্রাম মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। স্প্রে করার ১ সপ্তাহ পর ফসল সংগ্রহ করা যাবে।
পোকামাকড় ও দমন ব্যবস্থা
পোকামাকড়: জাব পোকা
দমন ব্যবস্থা:
জাব পোকা:
১। প্রাথমিক অবস্থায় আক্রান্ত পাতা ও ডগার জাব পোকা হাত দিয়ে পিষে মেরে ফেলা যেতে পারে।
২। নিম বীজের দ্রবন (১ কেজি পরিমাণ অর্ধভাঙ্গা নিম বীজ ১০ লিটার পানিতে ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে) স্প্রে করেও এ পোকার আক্রমন অনেকাংশে কমানো যায়।
৩। আক্রমনের মাত্রা বেশী হলে স্বল্পমেয়াদী বিষ ক্রিয়া সম্পন্ন কীটনাশক ম্যালাথিয়ন ৫৭ ইসি (প্রতি লিটার পানিতে ২ মি: লি: হারে) অথবা পিরিমর ৫০ ডিপি (প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম হারে) মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
ডাটা সংগ্রহ ও পরবর্তী করণীয়ঃ
ভালো স্বাদ পাওয়ার জন্য পাতা নরম বা মোলায়েম অবস্থায় শাক সংগ্রহ করতে হবে। কীটনাশক প্রয়োগ করে থাকলে ৫-৭ দিন পর শাক সংগ্রহ করতে হবে।
ফলনঃ বিঘা প্রতি ৩৩-৪০ মণ
বীজ উৎপাদন ও সরক্ষণঃ
দুটি জাতের মধ্যে ৫০০ মি. দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।
বীজ উৎপাদনের জন্য মার্চের প্রথম সপ্তাহে বীজ বপন করতে হবে।
বীজ উৎপাদনের ক্ষেত্রে সারি থেকে সারি এবং গাছ থেকে গাছের দূরত্ব উভয়ই এক ফুটহতে হবে।
রোগ-পোকা দমনের জন্য প্রয়োজনীয় বালাইনাশক প্রয়োগ করতে হবে।
ডাটা চাষ রবি (শীতকালে) ও খরিফ
(গ্রীষ্মকালে) উভয় মৌসুমে
শাক-সবজি হিসেবে করা যায়।
ডাটায় পর্যাপ্ত পরিমাণে
ভিটামিন-এ, বি, সি, ডি এবং ক্যালসিয়াম
ও লৌহ বিদ্যমান।
ডাটার কাণ্ডের চেয়ে পাতা বেশি পুষ্টিকর।
খুব কম সবজিতে এত পরিমাণে বিভিন্ন প্রকার ভিটামিন ও খনিজ লবণ থাকে।
বপন সময়ঃ
খরিফ মৌসুম (মার্চ-এপ্রিল)
ও রবি মৌসুম (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর)।
বীজ হারঃ
বিঘা প্রতি ১৯৮-৩৩০ গ্রাম বীজ প্রয়োজন অথবা, শতাংশ প্রতি ৬-১০ গ্রাম বীজ প্রয়োজন।
জমি তৈরিঃ প্রায় সোয়া দুই হাত (২.১৮ হাত) প্রশ্বস্ত এবং প্রয়োজনীয় পরিমাণ লম্বা করে বেড তৈরি করতে হবে।দুবেডের মাঝে এক ফুট (৩০ সেমি.) নালা থাকবে।
বীজ বপনঃ বীজ সরাসরি ছিটিয়ে অথবা লাইন করে বপন করা যায়। লাইনের ক্ষেত্রে বেডের উভয় পাশে ১০ সেমি.বাদ রেখে লম্বালম্বি ২০ সেমি. দূরে দূরে লাইন করে বীজ বপন করতে হবে। বপনের পর কাঠি বা হাতদিয়ে ঢেকে দিতে হবে। বীজ বপনের সময় সম পরিমাণ ছাই বা বালি মিশিয়ে বপন করলে সমভাবেপড়বে। জমিতে রস না থাকলে ঝাঝরি দিয়ে হালকা সেচ দিতে হবে।
ভালো স্বাদ পাওয়ার জন্য পাতা নরম বা মোলায়েম অবস্থায় শাক সংগ্রহ করতে হবে। কীটনাশক প্রয়োগ করে থাকলে ৫-৭ দিন পর শাক সংগ্রহ করতে হবে।
ফলনঃ বিঘা প্রতি ৩৩-৪০ মণ
ডাঁটা চাষে সার ব্যবস্থাপনাঃ
সারের নাম শতকের জন্য
পচা গোবর/কম্পোস্ট ৪০কেজি
ইউরিয়া ২৬৪গ্রাম
টিএসপি ৮০০গ্রাম
এমওপি ৬০০গ্রাম
সার প্রয়োগ পদ্ধতিঃ সমুদয় গোবর, টিএসপি, অর্ধেক ইউরিয়া এবং পটাশ সার শেষ চাষের সময় সমানভাবে ছিটিয়ে মাটিতে মিশিয়ে দিতে হবে। বীজ বপনের ১৫ দিন পর অবশিষ্ট পটাশ এবং ইউরিয়া সার উপরি প্রয়োগ করতে হবে।
গাছ পাতলাকরণ ও আগাছা দমনঃ বীজ বপনের এক সপ্তাহ পর গাছ পাতলা করণ ও আগাছা পরিষ্কার করতে হবে। সারিতে ৫সেমি. পর পর চারা রেখে পাতলা করে দিতে হবে। জমির উপর চটা লেগে গেলে ভেঙ্গেদিতে হবে। এতে করে দ্রুত গাছ বৃদ্ধি পাবে এবং গোড়া পচা রোগ থেকে রক্ষা পাবে।
পানি সেচঃ শুষ্ক মৌসুমে এক সপ্তাহ পর পর সেচ দিতে হবে। নতুবা শাক খসখসে হয়ে যাবে।
রোগবালাই ও দমন ব্যবস্থা
রোগবালাই:
এন্থ্রাকনোজ বা ফল পচা
মরিচা রোগ
দমন ব্যবস্থা:
এনথ্রাকনোজ বা ফলপঁচা:
১। রোগমুক্ত ভাল বীজ ব্যবহার করতে হবে। ঝরণা দিয়ে গাছে পানি সেচ দেওয়া যাবে না।
২। অনুমোদিত ছত্রাকনাশক ব্যাভিষ্টিন/ নোইন বা একোনাজল বীজ ফসলে আক্রমণের শুরুতেই প্রয়োগ করতে হবে।
৩। ডটিার বীজ-ফসলে অব্যশই ছত্রাকনাশক প্রয়োগ করে বীজ রোগমুক্ত রাখতে হবে।
মরিচা রোগ :
১। ডাইথেন এম-৪৫ নামক ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১.৫ গ্রাম মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। স্প্রে করার ১ সপ্তাহ পর ফসল সংগ্রহ করা যাবে।
পোকামাকড় ও দমন ব্যবস্থা
পোকামাকড়: জাব পোকা
দমন ব্যবস্থা:
জাব পোকা:
১। প্রাথমিক অবস্থায় আক্রান্ত পাতা ও ডগার জাব পোকা হাত দিয়ে পিষে মেরে ফেলা যেতে পারে।
২। নিম বীজের দ্রবন (১ কেজি পরিমাণ অর্ধভাঙ্গা নিম বীজ ১০ লিটার পানিতে ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে) স্প্রে করেও এ পোকার আক্রমন অনেকাংশে কমানো যায়।
৩। আক্রমনের মাত্রা বেশী হলে স্বল্পমেয়াদী বিষ ক্রিয়া সম্পন্ন কীটনাশক ম্যালাথিয়ন ৫৭ ইসি (প্রতি লিটার পানিতে ২ মি: লি: হারে) অথবা পিরিমর ৫০ ডিপি (প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম হারে) মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
ডাটা সংগ্রহ ও পরবর্তী করণীয়ঃ
ভালো স্বাদ পাওয়ার জন্য পাতা নরম বা মোলায়েম অবস্থায় শাক সংগ্রহ করতে হবে। কীটনাশক প্রয়োগ করে থাকলে ৫-৭ দিন পর শাক সংগ্রহ করতে হবে।
ফলনঃ বিঘা প্রতি ৩৩-৪০ মণ
বীজ উৎপাদন ও সরক্ষণঃ
দুটি জাতের মধ্যে ৫০০ মি. দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।
বীজ উৎপাদনের জন্য মার্চের প্রথম সপ্তাহে বীজ বপন করতে হবে।
বীজ উৎপাদনের ক্ষেত্রে সারি থেকে সারি এবং গাছ থেকে গাছের দূরত্ব উভয়ই এক ফুটহতে হবে।
রোগ-পোকা দমনের জন্য প্রয়োজনীয় বালাইনাশক প্রয়োগ করতে হবে।
ডাটা চাষ রবি (শীতকালে) ও খরিফ
(গ্রীষ্মকালে) উভয় মৌসুমে
শাক-সবজি হিসেবে করা যায়।
ডাটায় পর্যাপ্ত পরিমাণে
ভিটামিন-এ, বি, সি, ডি এবং ক্যালসিয়াম
ও লৌহ বিদ্যমান।
ডাটার কাণ্ডের চেয়ে পাতা বেশি পুষ্টিকর।
খুব কম সবজিতে এত পরিমাণে বিভিন্ন প্রকার ভিটামিন ও খনিজ লবণ থাকে।
বপন সময়ঃ
খরিফ মৌসুম (মার্চ-এপ্রিল)
ও রবি মৌসুম (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর)।
বীজ হারঃ
বিঘা প্রতি ১৯৮-৩৩০ গ্রাম বীজ প্রয়োজন অথবা, শতাংশ প্রতি ৬-১০ গ্রাম বীজ প্রয়োজন।
জমি তৈরিঃ প্রায় সোয়া দুই হাত (২.১৮ হাত) প্রশ্বস্ত এবং প্রয়োজনীয় পরিমাণ লম্বা করে বেড তৈরি করতে হবে।দুবেডের মাঝে এক ফুট (৩০ সেমি.) নালা থাকবে।
বীজ বপনঃ বীজ সরাসরি ছিটিয়ে অথবা লাইন করে বপন করা যায়। লাইনের ক্ষেত্রে বেডের উভয় পাশে ১০ সেমি.বাদ রেখে লম্বালম্বি ২০ সেমি. দূরে দূরে লাইন করে বীজ বপন করতে হবে। বপনের পর কাঠি বা হাতদিয়ে ঢেকে দিতে হবে। বীজ বপনের সময় সম পরিমাণ ছাই বা বালি মিশিয়ে বপন করলে সমভাবেপড়বে। জমিতে রস না থাকলে ঝাঝরি দিয়ে হালকা সেচ দিতে হবে।
ভালো স্বাদ পাওয়ার জন্য পাতা নরম বা মোলায়েম অবস্থায় শাক সংগ্রহ করতে হবে। কীটনাশক প্রয়োগ করে থাকলে ৫-৭ দিন পর শাক সংগ্রহ করতে হবে।
ফলনঃ বিঘা প্রতি ৩৩-৪০ মণ
ডাঁটা চাষে সার ব্যবস্থাপনাঃ
সারের নাম শতকের জন্য
পচা গোবর/কম্পোস্ট ৪০কেজি
ইউরিয়া ২৬৪গ্রাম
টিএসপি ৮০০গ্রাম
এমওপি ৬০০গ্রাম
সার প্রয়োগ পদ্ধতিঃ সমুদয় গোবর, টিএসপি, অর্ধেক ইউরিয়া এবং পটাশ সার শেষ চাষের সময় সমানভাবে ছিটিয়ে মাটিতে মিশিয়ে দিতে হবে। বীজ বপনের ১৫ দিন পর অবশিষ্ট পটাশ এবং ইউরিয়া সার উপরি প্রয়োগ করতে হবে।
গাছ পাতলাকরণ ও আগাছা দমনঃ বীজ বপনের এক সপ্তাহ পর গাছ পাতলা করণ ও আগাছা পরিষ্কার করতে হবে। সারিতে ৫সেমি. পর পর চারা রেখে পাতলা করে দিতে হবে। জমির উপর চটা লেগে গেলে ভেঙ্গেদিতে হবে। এতে করে দ্রুত গাছ বৃদ্ধি পাবে এবং গোড়া পচা রোগ থেকে রক্ষা পাবে।
পানি সেচঃ শুষ্ক মৌসুমে এক সপ্তাহ পর পর সেচ দিতে হবে। নতুবা শাক খসখসে হয়ে যাবে।
রোগবালাই ও দমন ব্যবস্থা
রোগবালাই:
এন্থ্রাকনোজ বা ফল পচা
মরিচা রোগ
দমন ব্যবস্থা:
এনথ্রাকনোজ বা ফলপঁচা:
১। রোগমুক্ত ভাল বীজ ব্যবহার করতে হবে। ঝরণা দিয়ে গাছে পানি সেচ দেওয়া যাবে না।
২। অনুমোদিত ছত্রাকনাশক ব্যাভিষ্টিন/ নোইন বা একোনাজল বীজ ফসলে আক্রমণের শুরুতেই প্রয়োগ করতে হবে।
৩। ডটিার বীজ-ফসলে অব্যশই ছত্রাকনাশক প্রয়োগ করে বীজ রোগমুক্ত রাখতে হবে।
মরিচা রোগ :
১। ডাইথেন এম-৪৫ নামক ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১.৫ গ্রাম মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। স্প্রে করার ১ সপ্তাহ পর ফসল সংগ্রহ করা যাবে।
পোকামাকড় ও দমন ব্যবস্থা
পোকামাকড়: জাব পোকা
দমন ব্যবস্থা:
জাব পোকা:
১। প্রাথমিক অবস্থায় আক্রান্ত পাতা ও ডগার জাব পোকা হাত দিয়ে পিষে মেরে ফেলা যেতে পারে।
২। নিম বীজের দ্রবন (১ কেজি পরিমাণ অর্ধভাঙ্গা নিম বীজ ১০ লিটার পানিতে ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে) স্প্রে করেও এ পোকার আক্রমন অনেকাংশে কমানো যায়।
৩। আক্রমনের মাত্রা বেশী হলে স্বল্পমেয়াদী বিষ ক্রিয়া সম্পন্ন কীটনাশক ম্যালাথিয়ন ৫৭ ইসি (প্রতি লিটার পানিতে ২ মি: লি: হারে) অথবা পিরিমর ৫০ ডিপি (প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম হারে) মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
ডাটা সংগ্রহ ও পরবর্তী করণীয়ঃ
ভালো স্বাদ পাওয়ার জন্য পাতা নরম বা মোলায়েম অবস্থায় শাক সংগ্রহ করতে হবে। কীটনাশক প্রয়োগ করে থাকলে ৫-৭ দিন পর শাক সংগ্রহ করতে হবে।
ফলনঃ বিঘা প্রতি ৩৩-৪০ মণ
বীজ উৎপাদন ও সরক্ষণঃ
দুটি জাতের মধ্যে ৫০০ মি. দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।
বীজ উৎপাদনের জন্য মার্চের প্রথম সপ্তাহে বীজ বপন করতে হবে।
বীজ উৎপাদনের ক্ষেত্রে সারি থেকে সারি এবং গাছ থেকে গাছের দূরত্ব উভয়ই এক ফুটহতে হবে।
রোগ-পোকা দমনের জন্য প্রয়োজনীয় বালাইনাশক প্রয়োগ করতে হবে।
বীজ কালো রং ধারন করলে সংগ্রহ করা যাবে। সাধারনত বীজ বপনের ৯০-১০০ দিনেরমধ্যে বীজ সংগ্রহ করা যায়।

User Reviews

0.0 out of 5
0
0
0
0
0
Write a review

There are no reviews yet.

Be the first to review “বারোমাসি ডাটা বীজ – ভূটান সিন্তা (১ গ্রাম)”

Your email address will not be published. Required fields are marked *

No more offers for this product!

General Inquiries

There are no inquiries yet.

[mwb_wrp_category_products count=8]
Change
KrishiMela
Logo
Register New Account
Reset Password
Chat Now
Chat Now
Questions, doubts, issues? We're here to help you!
Connecting...
None of our operators are available at the moment. Please, try again later.
Our operators are busy. Please try again later
:
:
:
Have you got question? Write to us!
:
:
This chat session has ended
Was this conversation useful? Vote this chat session.
Good Bad