- 33%

থাই কাগজী লেবু (Lemon/Lime) কলম চারা

0


৳ 200.00

5 in stock

বিক্রেতার ফোন নম্বর (সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা):
01751924144
Free offer: এখানে আপনার কৃষি পণ্য বিক্রি করুণ
Published on: July 11, 2020
Item will be shipped in 3-5 business days
  Ask a Question   Chat Now

কাগজি, কলম্বো, এলাচী,সীডলেস, সাতকরা,ফিঙ্গার -এগুলি প্রয়োজন অনুযায়ী জাত নির্বাচন করুন।তবে ফিঙ্গার লেবু না লাগানোই ভালো,সখের ব্যপার হরে ভিন্ন কথা!ছাদের জন্য আমার মতে কাগজি লেবুই উত্তম। কাগজি লেবু শীতের মৌশুম সহ বারো মাস গাছে থাকে।স্থান নির্বাচনঃ
—————–
আমার মতে লেবুর জন্য অতোটা তীব্র রোদের প্রয়োজন নেই।তবে উপরের দিকে খোলামেলা জায়গা হলে ভালো হয়। বারান্দায়ও লেবু গাছ লাগানো যায়।বেশি ছায়াতে গাছ থাকলে লেবু গাছে রোগে বেশি আক্রান্ত করে এবং তুলনামুলক ফলনও কম হবে।সারা দিনে ৫/৬ ঘন্টা ভালো রোদ পায় এবং উপরের দিক খোলা মেলা এমন জায়গা লেবু চারা লাগানোর জন্য উত্তম।ছাদে বা বারান্দার লাগাতে চাইলে বড়ো হাফ ড্রামই উত্তম, না হলে অন্তত ব্লিচিং ড্রামের তলানিতে ৪/৫ টা বড়ো ছিদ্র করে, তাতে লেবু চারা লাগানো উচিৎ।রোপন পদ্ধতিঃ
——————-
এপ্রিল মাস থেকে শুরু করে অক্টোবর পর্যন্ত লেবু গাছ লাগানো যায়।তবে আমার মতে মে-জুন মাসই লেবু চারা লাগানোর জন্য উত্তম।২*২*২ ফুট গর্তা করে সেই মাটির সাথে বেশি করে পচা গোবড়,৪/৫ মুঠো টিএসপি মিশিয়ে সপ্তাহ তিনেক পরে চারা লাগিয়ে দিন।একান্ত ইচ্ছে হলে পটাশএক মুঠো বা ইউরিয়া এক মুঠো সাথে দিতে পারেন।সে ক্ষেত্রে অন্তত মাস দেড়েক পরে চারা লাগানো উচিৎ। ছাদে বা বাড়ান্দায় লাগাতে হলে বড়ো হাফ ড্রামের জন্য তিন ভাগের দু ভাগ মাটির সাথে একভাগ কম্পোষ্টের সাথে ৪/৫ মুঠো টিএসপি মিশিয়ে সপ্তাহ তিনেক পরে চারা লাগিয়ে দিন।একান্ত ইচ্ছে হলে পটাশএক মুঠো বা ইউরিয়া এক মুঠো সাথে দিতে পারেন।সে ক্ষেত্রে অন্তত মাস দেড়েক পরে চারা লাগানো উচিৎ।চারা লাগানোর দু দিন আগে মাটি উলট পালট করে গর্তা বা ড্রামে ভারী সেচ দিন। মাটি ঝুরঝুরে হলে শেষ বিকেলে চারা লাগিয়ে হালকা সেচ দিন।অতিরিক্ত সেচের দরকার নাই।তবে গাছের গোড়ায়ে যেনো জল জমতে না পারে সেজন্য গোড়ার মাটি ভূমি থেকে একটু উঁচু করে দিতে হবে।৪/৫ মাস পরে নতুন পাতা গাজালে বুঝতে হবে নতুন শিকড় চলে এসেছে।তখন দুই লিটার মগের দুই মগ কম্পোষ্টের সাথে দু মুঠো পটাশ এক মুঠো ইউরিয়া,দেড় মুঠো টিএসপি মিশিয়ে সপ্তাহ দুয়েক পরে গাছের গোড়া থেকে কিছুটা দুরে মাটি আগলা করে, আগলা করা মাটির সাথে মিশ্রিত সার গুলি মিশিয়ে প্রয়োগ করে মাঝারি সেচ দিন।তবে সেই সময়টাতে শীত চলে আসলে ইউরিয়া প্রয়োগ থেকে বিরত থাকুন।বছরে দুবার না হলেও অন্তত এক বার সুষম সার প্রয়োগ করা উচিৎ।না হরে লেবু গাছের রোগ বৃদ্ধি পাবে। শীতের মাঝামাঝিতে দুই লিটার মগের দুই মগ কমপোষ্টের সাথে গাছের আকার ও বয়স ভেদে পরিমিত পটাশ সার মিশিয়ে সপ্তাহ খানেক পরে গাছের গোড়া থেকে একটু দুরে মাটি আগলা করে, আগলা করা সাটির সাথে মিশ্রিত সার প্রয়োগ করুন। প্রতি ২/৩ বছর পরপর টব বা ড্রামের ফলজ গাছে সার প্রয়োগের ৫-৬ দিন আগে গুরু চুন প্রয়োগ করা উত্তম।এতে গাছের পর্যাপ্ত খাদ্য গ্রহন করতে সুবিধা হয়।গাছে দুএকটা ফুল চলে আসলে প্রতি লাটার জলে ছয় মিলি লিটোসেন মিশিয়ে শেষ বিকেলে পুরু গাছে অতি অল্প পরিমানে কুয়াশার মতো স্প্রে করতে হবে। স্প্রে করার পর নতুন করে ফুল আসলে প্রচুর সেচ দিতে হবে,কিন্তু গাছের গোড়ায় জল জমতে দেয়া যাবে না।সেক্ষেত্রে ৫/২ লিটারের তেলের কন্টেইনারে সূক্ষ্ম সুচ দিয়ে একটি ছোট ছিদ্র করে গাছের গোড়ায় দিনে দু তিন বার সেচ দেয়া যেতে পারে।তবে কোনো গাছেই দুপুর বেলা তীব্র রোদে সেচ দেয়া উচিৎ নয়।
ফলের গুটি মার্বেলের মতো হতো দুই মগ কম্পোষ্টের সাথে সুধু টিএসপি মিশিয়ে সাত দিন পর প্রয়োগ করা ভালো।।তবে এক্ষেত্রে কেনো ভাবেই ইউরিয়া বা পটাশ সার প্রয়োগ উচিৎ নয়।রোগ বালাইঃ
—————-
লেবু গাছ প্রচুর রোগে আক্রান্ত হয়।এজন্য গাছ রোদে রাখা জরুরী এবং বর্ষার শুরুতে এবং বর্ষা শেষে মোট দুই বার সুষম সার প্রয়োগ করা উচিৎ।পাশাপাশি যথা সময়ে পটাশ সারের প্রয়োগও গাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।গাছের কচি পাতা এক ধরনের লম্বা এবং নরম পোকায় খেয়ে ফেলে,এক্ষেত্রে প্রতি লিটার জলে এক মিলি ক্লোরোপাইরিফস ২০ ইসি মিশিয়ে শেষ বিকেলে স্প্রে করতে হবে।লেবুর খোশা ফেটে গেলে অটোক্রপের সলুবর বোরন কম্পোষ্টের সাথে মিশিয়ে গাছের গোড়ায় প্রয়োগ করতে হবে এবং একই সাথে এক লিটার জলে চা গ্রাম হারে মিশিয়ে সাত দিন পরপর মোট ২/৩ বার শেষ বিকেলে প্রয়োগ করতে হবে।লেবুর চামড়া অমশৃণ হয়ে উঁচু নিচু হয়ে গেলে, প্রতি লিটার জলে এক গ্রাম হারে ডায়থেন এম ৪৫ প্রতি সাত দিন পরপর মোট তিন বার শেষ বিকেলে স্প্রে করতে হবে।গাছের ডাল শুকিয়ে মারা গেলে, শুকিয়ে যাওয়া ডাল থেকেও হাফ ইঞ্চি নিচে কাচা ডাল সহ কেটে দিয়ে, কাটা অংশে ডায়থেন এম ৪৫ অল্প জল দিয়ে পেষ্ট বানিয়ে লাগাতে হবে। এই রোগটাকে ডাই ব্যাক বলা হয়।গাছ বড়ো হলে এবং এর আক্রমন তীব্র হলে প্রতি লিটার জলে ৫/৬ গ্রাম হারে ডায়থেন এম৪৫ মিশিয়ে প্রতি সাত দিন পরপর মোট ২/৩ বার স্প্রে করা উচিৎ।এজন্য প্রতি বছর ফলের প্রধান মৌশুম শেষ হবার পর চিকন ও মরা ডাল ছাটাই করতে হয়।ছাটাইয়ের পর পর ই ডায়থেন এম৪৫ স্প্রে করা জরুরী।পাতায় ছোপ ছোপ বাদামী বর্ণ হলে আক্রান্ত গাছের ফলের বোটাতে আক্রান্ত হয়ে যায়।এবংফল ঝরে যায়।এক্ষেত্রেও প্রতি লিটার জলে এক গ্রাম হারে ডায়থেন এম ৪৫ মিশিয়ে শেষ বিকেলে ৭ দিন পরপর মোট ২বার স্প্রে করতে হবে।গাছে ফল থাকা অবস্থায় মাকড়ের আক্রমন হলে প্রতি লিটার জলে দুই গ্রাম হারে ম্যাক সালফার শেষ বিকেলে স্প্রে করতে হবে।মিলিবাগের আক্রমন হলে প্রতি লিটার জলে এক চামচ গুরো সাবান গুলে শেষ বিকেলে তীব্র বেগে স্প্রে করতে হবে অথবা প্রতি লিটার জলে এক গ্রাম হারে একতারা নামক কিটনাশক মিশিয়ে শেষ বিকেলে স্প্রে করতে হবে।গাছে ফল থাকা অবস্থায় একতারা ব্যবহার করলে অন্তত তিন মাসের আগে সে ফল খাওয়া উচিৎ নয়।সুরঙ্গ পোকা ফলের উপর বসে রস চুষে খায়,এতে ফল ঝরে যায়।এক্ষেত্রে এক লিটার জলে এক মিলি হারে ম্যালাথিয়ন ৫৭ ইসি মিশিয়ে শেষ বিকেলে স্প্রে করতে হবে।লেবু পাতার নিচে পাউডারের মতো ছাতরা পোকা সাদা সাদা স্তুপ করে পাতার রস চুসে খায়।এক্ষেত্রে প্রতি লিটার জলে এক মিলি হারে ম্যালাথিয়ন ৫৭ ইসি মিশিয়ে শেষ বিকেলে স্প্রে করতে হবে।আমার গাছে মুলত এগুলিই বেশি আক্রমন করে,আমি এ ব্যবস্থাই নেই।এছাড়াও বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রোগ লেবু গাছে দেখা যায়।রোগ ও পরিস্থিতি অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা নিলে ব্যপক ফলন আশা করা যায়।

No more offers for this product!

General Inquiries

There are no inquiries yet.

[mwb_wrp_category_products count=8]
Change
KrishiMela
Logo
Register New Account
Reset Password
Chat Now
Chat Now
Questions, doubts, issues? We're here to help you!
Connecting...
None of our operators are available at the moment. Please, try again later.
Our operators are busy. Please try again later
:
:
:
Have you got question? Write to us!
:
:
This chat session has ended
Was this conversation useful? Vote this chat session.
Good Bad