ঝুমকা বেগুন বীজ (১ গ্রাম)

0


৳ 15.00

Sold By:  Sobuj Bij Bhandar
0 out of 5
বিক্রেতার ফোন নম্বর (সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা):
01777811155
Free offer: এখানে আপনার কৃষি পণ্য বিক্রি করুণ
Published on: August 28, 2020
  Ask a Question   Chat Now

বেগুনকে সাধারনভাবে উষ্ণ জলবায়ুর ফসল হিসেবে অভিহিত করা হয়। সাধারণত বেগুন ১৫ থেকে ২৫ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ভালো ফলন দেয় । এর কম বা বেশি তাপমাত্রায় বেগুনের ফুল ও ফলধারণ ব্যাহত হয়। বাংলাদেশে শীতকালীন জলবায়ু বেগুন চাষের জন্য খুবই উপযোগী । এর কারণ হল বেগুন অত্যাধিক তাপমাত্রায় ভালো ফলন দেয় না ।  বেগুন চাষের জন্য এটেঁল দো-আঁশ ও পলি দো-আঁশ মাটি সবচাইতে ভাল । এই মাটিতে বেগুনের ফলন বেশী হয় । জৈবসার মিশ্রিত বেলে দোআঁশ মাটি দিয়ে বীজতলার পাত্রটি ভরতে হবে । টবের মাটি তৈরি করার ক্ষেত্রে ২ভাগ এঁটেল দোআঁশ বা পলি দোআঁশ মাটি,  ১ ভাগ গোবর,  ২০-৩০ গ্রাম টি,এস,পি সার, ২০-৩০ গ্রাম পটাশ সার, একত্রে মিশিয়ে ড্রাম বা টব ভরে পানিতে ভিজিয়ে রেখে দিতে হবে ১০-১২ দিন । 

বেগুনের উল্লেখযোগ্য জাত নির্বাচন

 বেগুন সারা বছর ধরে চাষ করা হলেও সব জাত সব সময় হয় না। আমাদের দেশে বেগুনের উল্লেখযোগ্য জনপ্রিয় স্থানীয় শীতকালীন জাতসমূহ হলঃ ইসলামপুরী,  লাফফা, খটখটিয়া্‌,  উত্তরা, নয়নকাজল, রাখাইন বেগুন, চ্যাগা ও কাঁটা বেগুন, মাকড়া শিংনাথ, প্লাস্টিক বেগুন, সাহেব বেগুন ইত্যাদি। বর্তমানে অধিক ফলনশীল বেশকিছু হাইব্রিড জাতের মধ্যে রয়েছে- তারাপুরী, শুকতারা, গালিভার, হীরা, ইত্যাদি। এছাড়াও আরও অনেক ধরণের উন্নত জাতের বেগুনের জাত রয়েছে। যেমন কেজি বেগুন, তাল বেগুন, নয়নতারা, ভোলানাথ, ঝুমকা, তল্লা, কুলি বেগুন ইত্যাদি।

বেগুন চাষে কি ধরণের টব/পাত্রের আকৃতি বাছাই করবেন

বেগুন চাষের জন্য সঠিক মাপের পাত্র নির্বাচন করতে হবে। এক্ষেত্রে মাঝারি সাইজের টব বা ড্রাম ব্যবহার করতে পারেন। তবে যে পাত্রই নির্বাচন করুন না কেন খেয়াল রাখতে হবে পাত্রের বা টবের পানি যেন   দ্রুত নিষ্কাশিত হতে পারে সে ব্যবস্থা রাখতে হবে । সাধারণত ছাদে বেগুনের চারা লাগানোর জন্য ১০-১২ ইঞ্চি মাটির টব ব্যবহার করাই উত্তম। টবের তলার ছিদ্রগুলো ইটের ছোট ছোট টুকরা দিয়ে বন্ধ করে দিতে হবে । 

বেগুন চাষ/রোপনের সঠিক সময়

বছরের যে কোন সময়ে বেগুনের চাষ করতে পারেন। বেগুন চাষের জন্য প্রথমে বীজতলায় চারা তৈরি করে পরে টবে রোপন করতে হবে। বেগুন চাষের জন্য প্রথমে ছাদে অল্প সংখ্যক চারা উৎপাদনের জন্য  বীজতলা তৈরি করতে  হবে। বীজতলা তৈরি করতে কাঠের বাক্স, প্লাস্টিকের ট্রে, গামলা  অথবা হাফ ড্রাম ব্যবহার করতে পারেন। টবের মাটি তৈরি হয়ে গেলে কিছুটা খুচিয়ে দিয়ে আবার ৪-৫ দিন এভাবেই রেখে দিতে হবে । যখন মাটি ঝুরঝুরে হবে তখন বেগুনের চারা উক্ত টবে রোপন করতে হবে । বেগুনের চারা মূলত বিকাল অথবা রাতে লাগাতে পারলে ভাল হয় ।

কিভাবে বেগুনের বীজ বপন ও সঠিক নিয়মে পানি সেচ দিবেন

বীজ বপনের একমাস পর বেগুনের চারা ছাদে লাগানোর উপযোগী হয় । প্রথমে বীজতলায় চারা করে পরে তা টব বা ড্রামে রোপণ করতে হবে। বেগুনের চারা বীজতলা থেকে উঠানোর কয়েকঘন্টা আগে বীজতলায় পানি  দেয়া প্রয়োজন। চারা উঠানোর সময় লক্ষ্য রাখতে হবে চারার শিকড় যাতে বেশী কাটা না পড়ে এবং শিকড়ের সাথে কিছুটা মাটি থাকে।

চারা লাগানোর পর প্রথমদিকে পানি কম দিতে হবে । আস্তে আস্তে পানি বাড়াতে হবে । লক্ষ্য রাখতে হবে যেন গাছের গোড়ায় পানি জমে না। তাহলে চারা পচে যেতে পারে। 

সঠিক নিয়মে বেগুনের  চাষাবাদ পদ্ধতি/কৌশল

ছাদে সহজেই বেগুন চাষ করা যায়। বেগুনের চারা লাগানো শেষ হলে গাছের গোড়ায় মাটি কিছুটা উচু করে দিতে হবে এবং মাটি হাত দিয়ে চেপে চেপে দিতে হবে। তারপর একটি সোজা কাঠি দিয়ে গাছটিকে বেধে যেন চারা সোজা ভাবে দন্ডায়মান থাকে। তবে খেয়াল রাখতে হবে গাছের গোড়া দিয়ে বেশী পানি না ঢুকতে পারে।

  বেগুন গাছে পোকামাকড় দমন ও বালাইনাশক/কীটনাশক কিভাবে প্রয়োগ করবেন

যেহেতু বেগুনে রোগবালাই এবং পোকার আক্রমন বেশী তাই বেগুন চাষে কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করতে হয় । বেগুনের সবচেয়ে ক্ষতিকর পোকা হল ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা। রোগবালাই এবং পোকামাকড়ের হাত থেকে রক্ষা পেতে হলে মাঝে মাঝে বেগুন গাছে ভাল কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক একত্রে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে ।

কিভাবে বেগুন বাগানের যত্ন ও পরিচর্যা করবেন

বেগুন গাছে যেন আগাছা জন্মাতে না পারে সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। তাই টবের মাটি কয়েকদিন পর পর হালকা নিড়ানি দিয়ে আলগা করে দিতে হবে । সেই সাথে মাটি কিছুটা আলগা করে দিলে গাছের শিকড়ের ভাল বৃদ্ধি হয় । বেগুনের ফল ধরা শুরু করলে সরিষার খৈল পচা পানি পাতলা করে গাছে ১৫-২০ দিন অন্তর অন্তর নিয়মিত দিতে হবে 

বেগুনের খাদ্য গুণাগুণ

বেগুনে প্রচুর পরিমাণে খাদ্যগুনাগুণ বিদ্যমান। এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম,  ফসফরাস,  গন্ধক,  ক্লোরিন,  ভিটামিন ‘এ´  ও ‘সি´  আছে।

বেগুনের অন্যান্য ব্যবহার

সবজি হিসেবে বেগুন খুবই জনপ্রিয়। আমাদের দেশে তরকারি ছাড়াও বেগুন ভাজি,  সিদ্ধ বা আগুনে পুড়িয়ে ভর্তা হিসেবে খাওয়া হয়। এছাড়া রমজান মাসে বেগুনের চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। তাই পরিশেষে বলা যায় বেগুন একটি আদর্শ তরকারী। তাই আসুন সবাই মিলে নিজের বাড়িতেই এই সবজীর চাষ করি। 

User Reviews

0.0 out of 5
0
0
0
0
0
Write a review

There are no reviews yet.

Be the first to review “ঝুমকা বেগুন বীজ (১ গ্রাম)”

Your email address will not be published. Required fields are marked *

No more offers for this product!

General Inquiries

There are no inquiries yet.

[mwb_wrp_category_products count=8]
Change
KrishiMela
Logo
Register New Account
Reset Password
Chat Now
Chat Now
Questions, doubts, issues? We're here to help you!
Connecting...
None of our operators are available at the moment. Please, try again later.
Our operators are busy. Please try again later
:
:
:
Have you got question? Write to us!
:
:
This chat session has ended
Was this conversation useful? Vote this chat session.
Good Bad