গিমা কলমি শাক বীজ (১ গ্রাম)

0


15.00৳ 

Sold By:  Sobuj Bij Bhandar
0 out of 5
বিক্রেতার ফোন নম্বর (সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা):
01777811155
Free offer: এখানে আপনার কৃষি পণ্য বিক্রি করুণ
Published on: August 27, 2020
  Ask a Question   Chat Now

আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ তাদের পুষ্টির চাহিদা পূরণের জন্য শাকসবজি ও ফলমূল বেশি পছন্দ করে। মাছ, মাংস ও ডিমের তুলনায় শাকসবজি দামে কম বলে মানুষ তার পুষ্টির চাহিদা মেটানোর জন্য শাকসবজির ওপর নির্ভর করে। তাই আমাদের দেশে প্রায় সব অঞ্চলেই বিভিন্ন ধরণের শাকসবজি ও ফলের চাষ হয়। গিমা কলমি একটি পাতা জাতীয় গ্রীষ্মকালীন শাক। সেচের সুবিধা আছে এরকম যে কোন জমিতে গিমা কলমি চাষ করা যায়। গিমা কলমির বীজ একবার বপন করে প্রায় সারাবছর শাক পাওয়া সম্ভব।

গিমা কলমির পুষ্টিগুণ 

গিমা কলমিতে ভিটামিন ‘এ´ আছে।

গিমা কলমির চাষে প্রয়োজনীয় জলবায়ু ও মাটি

উষ্ণ আর্দ্র জলবায়ুতে ভালো হয়। সব ধরনের মাটিতেই এর চাষ করা যায়। দোঁআশ বা বেলে দোঁআশ যার নীচে এঁটেল মাটির স্তর রয়েছে এমন মাটি এর চাষের জন্য বেশি উপযোগী।

গিমা কলমির জাত

বারি গিমাকলমী-১, বেম্বু লিফ, এলপি ১, ক্যাং কং ইত্যাদি। 

গিমা কলমির চাষের সময়

গিমা কলমির বীজ বপন করার সঠিক সময় চৈত্র থেকে শ্রাবণ মাস।

গিমা কলমির বীজের পরিমাণ

শতক প্রতি ৪০-৫০ গ্রাম বীজের প্রয়োজন হয়।

গিমা কলমির জমি তৈরি ও বীজ বপন

১. বীজ বপন করার আগে নির্বাচিত জমি ৫-৬টি চাষ ও মই দিয়ে তৈরি করে নিতে হবে।

২. জমি গভীর করে চাষ করতে হবে।

৩. গিমা কলমির বীজ ছিটিয়ে ও সারিতে বপন করা যায়।

৪. সারিতে বীজ বপন করতে হলে জমিতে ২০ সে.মি. দূরে দূরে সারি তৈরি করে নিতে হবে।

৫. সারিতে ১৫ সে.মি. পর পর গর্ত করে ২/৩টি বীজ বপন করে মাটি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে।

৬. ২/৩টি বীজ এক জায়গায় বপন করতে হবে যাতে একটি বীজ কোন কারণে অঙ্কুরিত না হলেও অন্য বীজ অঙ্কুরিত হতে পারে।

গিমা কলমির চাষে সারের পরিমাণ

ভালো ফলনের জন্য প্রতি শতকে গোবর সার ৪০ কেজি, ইউরিয়া সার ৬০০ গ্রাম, টিএসপি সার ২০০ গ্রাম ও এমওপি সার ১০০ গ্রাম প্রয়োগ করতে হয়। অর্ধেক ইউরিয়া বাদে সব সার জমি তৈরির সময় প্রয়োগ করতে হবে। সেই অর্ধেক ইউরিয়া ১ম, ২য় ও ৩য় বার ফসল তোলার পর পরই সমান ৩ ভাগ করে উপরি প্রয়োগ করতে হবে।

গিমা কলমির পরিচর্যা

১. ছিটিয়ে বীজ বপন করলে চারা গজানোর পর প্রতি বেডে ১৫ সে.মি. পর পর একটি করে চারা রেখে বাকিগুলো তুলে ফেলতে হবে।

২. জমিতে আগাছা জন্মাতে দেওয়া যাবে না। আগাছা জন্মালে তা নিড়ানির সাহায্যে তুলে ফেলতে হবে।

৩. বীজ ফসল নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে। পাতার আকার, আকৃতি, রঙ ইত্যাদি অন্যরকম হলে তা উঠিয়ে ফেলতে হবে।

গিমা কলমির পোকামাকড় ও রোগ

পাতার বিটল, কচ্ছপ পোকা, ঘোড়া পোকা, বিছা পোকা গিমা কলমীর পাতা খেয়ে নষ্ট করে। জমি বেশি ভেজা বা স্যাঁতসেতে থাকলে তরুণ গাছের গোড়া পচে নষ্ট হয়। ড্যাম্পিং অফ রোগের কারণে এরূপ হয়। পোকা ও রোগের আক্রমণ হলে কৃষিকর্মীর পরামর্শ অনুযায়ী অনুমোদিত বালাইনাশক ব্যবহার করতে হবে।

গিমা কলমির ফসল সংগ্রহ

বীজ বপনের ৩০-৩৫ দিনেই গিমা কলমি সবজি হিসাবে সংগ্রহ করা যেতে পারে।

গিমা কলমি চাষ করে পরিবারের পুষ্টির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাড়তি উৎপাদন বাজারে বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব।

User Reviews

0.0 out of 5
0
0
0
0
0
Write a review

There are no reviews yet.

Be the first to review “গিমা কলমি শাক বীজ (১ গ্রাম)”

Your email address will not be published. Required fields are marked *

No more offers for this product!

General Inquiries

There are no inquiries yet.

[mwb_wrp_category_products count=8]
Change
KrishiMela
Logo
Register New Account
Reset Password
Chat Now
Chat Now
Questions, doubts, issues? We're here to help you!
Connecting...
None of our operators are available at the moment. Please, try again later.
Our operators are busy. Please try again later
:
:
:
Have you got question? Write to us!
:
:
This chat session has ended
Was this conversation useful? Vote this chat session.
Good Bad