- 18%

কদবেল (Wood Apple) স্থানীয় উন্নত চারা

0


৳ 220.00 ৳ 180.00

200 in stock

বিক্রেতার ফোন নম্বর (সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা):
01751924144
Free offer: এখানে আপনার কৃষি পণ্য বিক্রি করুণ
Published on: July 11, 2020
Item will be shipped in 3-5 business days
  Ask a Question   Chat Now
কদবেল চাষ
বাংলাদেশে সর্বত্র চাষোপযোগী একটি উচ্চ ফলনশীল জাত। ফল গোলাকার, তবক খসখসে, আকারে বেলের তুলনায় ছোট, অনেকটা ক্রিকেট বা টেনিস বলের ন্যায়। পাকা ফলের শাঁস নরম, টক স্বাদ ও সুগন্ধিযুক্ত । সাধারনত ফেব্রুয়ারি – মার্চ মাসে ফুল ফোটে এবং অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাসে ফল পাকে। একক কিংবা গুচ্ছাকারে প্রতি বোটায় ২ থেকে ৩ টি ফল ধরে । পাকা ফলের রং হালকা বাদামী। ফল পাকলে বোটার গোড়া থেকে সহজেই আলাদা হয়ে যায় এবং আকর্ষনীয় গন্ধ ছড়ায়। গাছ প্রতি গড়ে ১১৩ টি ফল ধরে যার মোট গড় ওজন ৩৯ কেজি। হেক্টও প্রতি ফলন ৬.৮৩ টন/বছর। জাতটি গোলাকার বৃহৎ আকারের ফল উৎপাদন কওে যার গড় ওজন ৩৪৪ গ্রাম। পাকা ফল আকর্ষণীয় বদামী বর্ণেও, ফলের খোসা বেশ শক্ত ও পুরু তাই এর সংরক্ষণ কাল বেশি। শাঁস নরম, মধ্যম রশাল, অল্প আাঁশ বিশিষ্ট এবং টক মিষ্টি (টিএসএস-১৯ %)। ফলের ত্বক শক্ত ও ঈষৎ খসখসে। ফলের ভক্ষণযোগ্য অংশ ৬৯%।

উপযোগী এলাকা : সমগ্র বাংলাদেশেই এর চাষ করা যায়।

বপনের সময় : বর্ষার প্রারম্ভে অর্থাৎ বৈশাখ-আষাঢ (মে-জুলাই) মাস কদবেলের চারা রোপণের উপযুক্ত সময়। অতিরিক্ত বর্ষার চারা রোপণ না করাই ভাল। তবে বর্ষার শেষের দিকে ভাদ্র-আশ্বিন মাসেও গাছ লাগানো চলে। বাগান আকারে কদবেলের চাষ করতে চাইলে ৬ মি. × ৬ মি. দুরত্বে এক বছর বয়সী চারা/কলম রোপণ করা উচিত।
মাড়াইয়ের সময়: শীতের প্রারম্ভে অর্থাৎ অক্টোবর-নভেম্বর মাসে ফল পাকতে শুরু করে। আমাদের দেশে সাধারণত অপরিপক্ক ফল আহরণ করে কয়েকদিন রোদে রেখে পাকানো হয়। এতে ফলের কাঙ্খিত সাদ ও গন্ধ পাওয়া যায় না এবং অনেক ফল নষ্ট হয়। ফল পরিপক্ক হলে এর ত্বক ধুসর মলিন বর্ণ ধারণ করে এবং ফলের বোটা আলগা হয়ে যায়। সামান্য ঝাকুনিতেই ফল ঝরে পড়ে। গাছে ঝাকি দিয়ে ফল আহরণ করা উচিৎ নয়। এতে অনেক ফল বিবর্ণ হয়ে যায় এবং ফেটে নষ্ট হয়।

রোগবালাই ও দমন ব্যবস্থা
রোগবালাই: উল্লেখযোগ্য রোগ বালাই দেখা যায়না।
দমন ব্যবস্থা:
পোকামাকড় ও দমন ব্যবস্থা
পোকামাকড়: এক ধরণের ক্ষুদ্রাকার কীট কদবেলের মধ্যে ঢুকে ফলের শাঁস খেয়ে ফেলে এবং বেরিয়ে যায়।
দমন ব্যবস্থা: ফল ছোট অবস্থায় প্রোক্লেম ৫ এসজি প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম হারে মিশিয়ে ৮-১০ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করে এ কীটের হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।
সার ব্যবস্থাপনা
গাছে সার প্রয়োগঃ গাছের যথাযথ বৃদ্ধি ও কাংক্ষিত ফলনের জন্য সার প্রয়োগ করা আবশ্যক। গাছের বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে সারের পরিমাণও বাড়াতে হবে। বিভিন্ন বয়সের গাছের জন্য প্রয়োজনীয় সারের পরিমাণ নীচের ছকে দেয়া হলঃ
সারের নাম গাছের বয়স(বছর)
১-৪ ৫-১০ ১১-১৫ ১৫ এর উর্দ্ধে
গোবর (কেজি) ১০-১৫ ১৫-২০ ২০-৩০ ৩০-৪০
ইউরিয়া (গ্রাম) ১৫০-৩০০ ৪৫০-৬০০ ৬০০-৭৫০ ১০০০
টিএসপি (গ্রাম) ১৫০-২০০ ২০০-৩০০ ৩০০-৪৫০ ৫০০
এমওপি(গ্রাম) ১৫০-২০০ ২০০-৩০০ ৩০০-৪৫০ ৫০০
জিপসাম (গ্রাম) ১০০ ২০০ ২৫০ ৩০০
উল্লিখিত সার সমান তিন কিস্তিতে প্রয়োগ করতে হবে। প্রথম কিস্তি বর্ষার প্রারম্ভে (বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে), দ্বিতীয় কিস্তি বর্ষার শেষে (ফল আহরণের পর) এবং শেষ কিস্তি শীতের শেষে (মাঘ-ফাল্গুন মাসে) প্রয়োগ করতে হবে। সারগুলো একত্রে মিশিয়ে গাছের চারদিকে (গোড়া থেকে ০.৫-১.০ মিটার জায়গা ছেড়ে দিয়ে শাখা-প্রশাখা বিস্তৃত এলাকা পর্যন্ত) ছিটিয়ে দিতে হবে। এরপর সার ছিটানো জায়গার মাটি কুপিয়ে সারগুলো মাটির সাথে ভালভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। মাটিতে প্রয়োজনীয় পরিমাণ রস না থাকলে সার প্রয়োগের পর অবশ্যই সেচ দিতে হবে।
No more offers for this product!

General Inquiries

There are no inquiries yet.

[mwb_wrp_category_products count=8]
Change
KrishiMela
Logo
Register New Account
Reset Password
Chat Now
Chat Now
Questions, doubts, issues? We're here to help you!
Connecting...
None of our operators are available at the moment. Please, try again later.
Our operators are busy. Please try again later
:
:
:
Have you got question? Write to us!
:
:
This chat session has ended
Was this conversation useful? Vote this chat session.
Good Bad