- 20%

অর্জুন (Arjun) ঔষধি গাছ

0


৳ 120.00

49 in stock

বিক্রেতার ফোন নম্বর (সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা):
01842635861
Free offer: এখানে আপনার কৃষি পণ্য বিক্রি করুণ
Published on: July 11, 2020
Item will be shipped in 3-5 business days
  Ask a Question   Chat Now
উদ্ভিদের নাম : অর্জুন,Arjun
স্থানীয় নাম : অর্জুন
ভেষজ নাম : Terminalia arjuna
ফ্যামিলি:- Combretaceae.
ব্যবহার্য অংশ : গাছের ছাল, মূল, কান্ড, পাতা, ফল, ফূল ঔষধ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
রোপনের সময় : বর্ষাকাল
উত্তোলনের সময় : সারা বছর সংগ্রহ করা যায়।
আবাদী/অনাবাদী/বনজ : আবাদী, অনাবাদী বনজ সব ধরনের হয়ে থাকে।
চাষের ধরণ : বীজ ও কলম থেকে গাছ উৎপন্ন হয়
উদ্ভিদের ধরণ: বড় বৃক্ষ জাতীয় উদ্ভিদ।
বৃক্ষ পরিচিতি:
বৃহৎ গাছ; ৫০/৬০ ফুট পর্যন্ত উঁচু হয়, পাতাগুলির আকারটা একটু বড় হলেও মানুষের জিভের মত কিন’ পাতার ধারগুলি খুব সরু দাঁত করাতের মত কিন’ মাংসল নয়, শক্ত গাছটির বোটনিক্যাল্ নাম Terminalia arjuna.ফ্যামিলি- Combretaceae. সমগ্র উপমহাদেশে কম-বেশী। এ গাছ দেখা যায়।
ব্যবহার্য অংশ-
গাছ বা মূলের (ত্বক) পাতা ও ফল।
অর্জুন গাছের ছাল সংগ্রহ করতে পূর্বের দিকের ছালটা নিতে হয়; কারণ পূর্বের দিকের বায়ুর তরলত্ব বেশী, ওদিকের ছালটা হৃদযন্ত্রের ক্রিয়াকারিত্বেও অনুকূল। সকালের রৌদ্র ও সেদিককার ছালটায় রঞ্জনরশ্মি বেশী সমৃদ্ধ হয়,
প্রয়োগ ক্ষেত্র:-
(১) যাঁদের বুক ধড়ফড় করে অথচ হাই ব্লাডপ্রেসার নেই, তাঁদের পক্ষে অর্জুন ছাল কাঁচা হলে ১০/১২ গ্রাম অথবা শুষ্ক হলে ৫/৬ গ্রাম একটু থেতো করে, আধ পোয়া দুধ আর আধসের জল একসঙ্গে সিদ্ধ করে, আন্দাজ আধ পোয়া থাকতে নামিয়ে, ছে’কে বিকেলের দিকে খেতে হয়। তবে গরম অবস্থায় ঐ সিদ্ধ দুধটা ছে’কে রাখা ভাল। এর দ্বারা বুক ধড়ফড়ানি নিশ্চয়ই কমবে। তবে পেটে বায়ু না হয় সে দিকটাও লক্ষ্য রাখতে হয়।
লো- ব্লাড্প্রেসারে- উপরিউক্ত পদ্ধতিতে তৈরী করে খেলে প্রেসার স্বাভাবিক হয়।
(২) রক্তপিত্তে- মাঝে মাঝে কারণ বা অকারণে রক্ত ওঠে বা পড়ে; সে ক্ষেত্রে ৪/৫ গ্রাম ছাল রাত্রিতে জলে ভিজিয়ে রেখে ওটা সকালে ছেকে নিয়ে জলটা খেতে হয়।
(৩) শ্বেত বা রক্তপ্রদরে- উপরিউক্ত মাত্রা মত ছাল ভিজানো জল আধ চামচ আন্দাজ কাঁচা হলুদের রস মিশিয়ে খেলে উপশম হয়।
(৪) ক্ষয় কালে- অর্জুন ছালের গুড়ো, বাসক পাতার রসে ভিজিয়ে, সেটা শুকিয়ে (অন্ততঃ সাত বার) নিয়ে রাখতেন প্রাচীন বৈদ্যেরা। দমকা কাসি হতে থাকলে একটু ঘৃত ও মধু বা মিছিরির গুড়ো মিশিয়ে চাটতে দিতেন।
(৫) শুক্রমেহে(Spermatorrhoea)- অর্জুন ছালের গুড়ো ৪/৫ গ্রাম আধ পোয়া আন্দাজ গরম জলে ৪/৫ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর ছেঁকে ঐ জলে আন্দাজ ১ চামচ শ্বেতচন্দন ঘষা মিশিয়ে খেলে উপকার হয়।
(৬) যাঁদের প্রস্রাবের সঙ্গে Puscell বা পুঁজ বেশী যায়, তাঁরা ৩/৪ গ্রাম শুকনো অর্জুন ছাল আধ পোয়া আন্দাজ গরম জলে ৪/৫ ঘন্টা ভিজিয়ে পরে ছেকে তার সঙ্গে একটু রান্না করা বার্লি মিশিয়ে খেলে ওটা চলে যাবে।
(৭) রক্ত আমাশয়ে- ৪/৫ গ্রাম অর্জুন ছালের কাথে ছাগল দুধ মিশিয়ে খেলে ওটা সেরে যায়।
উল্লেখ্য যে, অর্জুন গাছের সব অংশই কষায় রস (Astringent); এর জন্যই ওর কাথে অনেকের কোষ্ঠকাঠিন্য হয়। ওদিকটা ও লক্ষ্য রাখা দরকার। তবে এটা দেখা যায় দুধে সিদ্ধ অর্জুন ছালের ব্যবহারে কোষ্ঠকাঠিন্য হয় না।
বাহ্য প্রয়োগ:-
(৯) মচ্কে গেলে বা হাড়ে চিড় খেলে- অর্জুন ছাল ও রসুন বেটে অল্প গরম করে ওখানে লাগিয়ে বেঁধে রাখলে ওটা সেরে যায়; তবে সেই সঙ্গে অর্জুন ছালের চূর্ণ ২/৩ গ্রাম মাত্রায় আধ চামচ ঘি ও সিকি কাপ আন্দাজ দুধ মিশিয়ে অথবা শুধু দুধ মিশিয়ে খেলে আরও ভাল হয়।
(১০) মেচেতায় – অর্জুন ছালের মিহি গুড়ো মধুর সঙ্গে মিশিয়ে লাগালেও দাগগুলি চলে যায়।
(১১) হার্ণিয়া হলে- অর্জুনের ফল কোমরে বেঁধে রাখলে উপকার পাওয়া যায়।
(১২) পুঁজস্রাবী ঘা (ক্ষত)- অর্জুন ছালের কাথে ধুয়ে, ঐ ছালেরই মিহি গুঁড়ো ঐ ঘায়ে ছড়িয়ে দিলে তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়।
(১৩) ফোড়া- অর্জুনের পাতা দিয়ে ঢাকা দিলে ওটা ফেটে যায়, তারপর ঐ পাতার রস দিলে তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়।
(১৪) হাঁপানীতে (Cardiac) অর্জুনের ফলের শুষ্ক টুকরো কলকে করে তামাকের মত ধোঁয়া টানলে হাঁপের টান কমে যায়।
No more offers for this product!

General Inquiries

There are no inquiries yet.

[mwb_wrp_category_products count=8]
Change
KrishiMela
Logo
Register New Account
Reset Password
Chat Now
Chat Now
Questions, doubts, issues? We're here to help you!
Connecting...
None of our operators are available at the moment. Please, try again later.
Our operators are busy. Please try again later
:
:
:
Have you got question? Write to us!
:
:
This chat session has ended
Was this conversation useful? Vote this chat session.
Good Bad