★★ছাঁদ বাগানের জন্য ভার্মি কম্পোষ্ট★★

Add to wishlistAdded to wishlistRemoved from wishlist 1
Add to compare
Featured! ★★ছাঁদ বাগানের জন্য ভার্মি কম্পোষ্ট★★
Add your review

৳ 40.00

Support
Store
0 out of 5
You may also Like

4.5″ BP Square Pot

Store:  garden.com.bd
0 out of 5
Added to wishlistRemoved from wishlist 0
Add to compare
৳ 90.00 ৳ 81.00
10%

Morning Glory Plants

Store:  Satvai.com
0 out of 5
Added to wishlistRemoved from wishlist 0
Add to compare
৳ 70.00
Added to wishlistRemoved from wishlist 0
Add to compare
৳ 50.00 ৳ 37.50
25%

Vine Clip (5 Pcs)

Store:  garden.com.bd
0 out of 5
Added to wishlistRemoved from wishlist 0
Add to compare
৳ 50.00 ৳ 45.00
10%
  Ask a Question
★★ছাঁদ বাগানের জন্য ভার্মি কম্পোষ্ট★★
★★ছাঁদ বাগানের জন্য ভার্মি কম্পোষ্ট★★

৳ 40.00

Description

★★ছাঁদ বাগানের জন্য ভার্মি কম্পোষ্ট★★

**পরিবহণ খরচ- ওজনের উপরে নির্ভর করবে। পরিমাণে অধিক নিলে দাম এবং পরিবহণ খরচ আলোচনা সাপেক্ষে।

**কেন জৈব সার ক্রয় করবেন??

জৈবসার গুলো একদন নারী সদস্যদের মাধ্যমে ভাল্যুচেইন করে উন্নত প্রক্রিয়ায় তৈরি করা হয় এবং শুধু মাত্র গোবর দিয়েই এই ভার্মি সার তৈরি করা হয়না এর ভেতরে আরোও কচুরীপানা, সবুজ শাকসবজির উচ্ছিষ্ট অংশ, কলা গাছ কেটেও খেতে দেয়া হয় এই জৈবসার তৈরিতে পাশাপাশি কম্পোষ্ট তৈরি হয়ে যাবার পরে সেপারেটর দিয়ে কেঁচো আলাদা করে শীতল স্থানে ষ্টোর করা হয় যাতে এর ভেতরের উপকারী অনুজীবগুলো জীবন্ত থাকে যা ফসলের জন্য মাটিতে প্রয়োগ করলে মাটিতে দ্রূত উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য তৈরিতে সহায়তা করে। আমাদের এই ভার্মি কম্পোষ্ট বিপণন সম্পূর্ন একটি সুষ্ঠু বিপণন প্রক্রিয়া যা নারী কৃষকের একটি অতিরিক্ত আর্থিক স্বচ্ছলতার যোগান।আসুন জেনে নেই কেন জৈব সার প্রয়োগ করবেন??

**কেঁচো সারের বৈশিষ্ট্য:

উর্বর মাটিতে পাচঁ ভাগ জৈব পদার্থ থাকতে হয়। মাটির পানি ধারণক্ষমতা ও বায়ু চলাচল বাড়াতে পাঁচ ভাগ জৈব পদার্থ থাকার কথা থাকলেও বাংলাদেশের মাটিতে রয়েছে এক দশমিক আট থেকে দুই ভাগ। জৈব পদার্থের পরিমান বাড়াতে কম্পোষ্ট সার, পচা আবর্জনা, সবুজ সারের যেমন ভূমিকা, কেঁচো সারের ভূমিকাও তেমনি অসামান্য।

**::কেঁচো সারঃ

কেঁচো খাবার খেয়ে মল হিসাবে যা ত্যাগ করে তাই কেঁচোসার। তরিতরকারির ফেলে দেওয়া অংশ,ফলমূলের খোসা,উদ্ভিদের লতাপাতা,পশুপাখির নাড়িভুঁড়ি হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা, ছোট ছোট করে কাটা খড়কুটো খেয়ে কেঁচো জমির জন্য সার তৈরি করে। এ সার সব ধরণের ফসল ক্ষেতে ব্যবহার করা যায়।

**::কী আছে কেঁচোসারেঃ

‘ভার্মি কম্পোষ্ট’ বা কেঁচোসারে মাটির পানি ধারণ করার ক্ষমতা ও মাটি নরম করার ক্ষমতা তো আছেই,এ ছাড়া আছে আটাশি দশমিক ৩২ ভাগ জৈব পদার্থ, এক দশমিক ৫৭ ভাগ নাইট্রোজেন, এক দশমিক ২৬ ভাগ বোরন-যেগুলো অন্যান্য জৈব সারে এত বেশি পরিমাণে নেই।

কেঁচোসার ব্যবহার করলে চাষের খরচ কম হয়। প্রাকৃতিক লাঙ্গল যে কেঁচো তারও সংখ্যা বাড়ে মাটিতে। উৎপাদিত ফসলের বর্ণ, স্বাদ, গন্ধ হয় আকর্ষণীয়। ফসলের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে।
::কেঁচো কম্পোস্ট সারের উপকারিতা :

উৎপাদন ও ফসলের গুণাগুণ বৃদ্ধি পায়। তুলনামূলকভাবে উৎকৃষ্ট ও বড় আকারের ফল বা সবজি পাওয়া যায়। মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা বাড়ায়, ফলে কেঁচো সার ব্যবহারে সেচের পানি কম লাগে। ক্ষারীয় লবণাক্ত মাটিতেও চাষাবাদ সম্ভব। রোগ ও পোকামাকড়ের উপদ্রব কম হয়। জমিতে আগাছার ঝামেলা কম হয়। ফসলের বীজের অংকুরোদগম ক্ষমতা বাড়ে। অধিক কুশি, অধিক ছড়া ও দানা গঠন হয়। মাটির বুনট উন্নত হয়। রাসায়নিক সারের চাইতে খরচ অনেক কম হয়। পরিবেশ দূষণমুক্ত থাকে।

**::বৈশিষ্ট্য:

এ সারে গাছের অত্যাবশ্যকীয় ১৬টি খাদ্য উপাদানের ১০টিই বিদ্যমান। এ ছাড়া এর মধ্যে গাছের অত্যাবশ্যকীয় কয়েকটি হরমোন ও এনজাইম রয়েছে, যা গাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি ও ফলের বর্ণ, গন্ধ, স্বাদসহ অন্যান্য গুণগত মান উন্নত রাখে। কেঁচো সার বীজের অঙ্কুরোদ্গমে সহায়ক। এ সার ব্যবহারে ফসলের উৎপাদন খরচ কমে। সব ফসলেই ব্যবহারযোগ্য। বেলে-দোআঁশ মাটিতে এর কার্যকারিতা বেশি। ফলদ গাছ বা উঁচু জমির ফসলে পর পর তিনবার কেঁচো সার ব্যবহার করলে ডিম থেকে উৎপন্ন কেঁচো ওই স্থানে নিজে থেকেই সার উৎপাদন করতে থাকে। ফলে পরবর্তী দু-তিনটি ফসলে সার ব্যবহার না করলেও চলে।

::পুষ্টিমান:জৈব পদার্থ দিয়ে সাধারণ সার তৈরির পরিবর্তে কেঁচো সার তৈরি করলে এর পুষ্টিমান সাত থেকে ১০ গুণ বাড়ে। সুহৃদ বাংলাদেশ কর্তৃক কুমিল্লা জেলায় উৎপাদিত কেঁচো সারের মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাটি, পানি ও পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের গবেষণাগারে রাসায়নিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, এর মধ্যে জৈব পদার্থ ২৮ দশমিক ৩২ ভাগ, নাইট্রোজেন ১ দশমিক ৫৭ ভাগ, ফসফরাস ১ দশমিক ২৬ ভাগ, পটাশিয়াম ২ দশমিক ৬০ ভাগ, ক্যালসিয়াম ২ ভাগ, ম্যাগনেসিয়াম দশমিক ৬৬ ভাগ, সালফার দশমিক ৭৪ ভাগ, আয়রন ৯৭৫ পিপিএম, ম্যাংগানিজ ৭১২ পিপিএম, বোরন ০.০৬ ভাগ, জিঙ্ক ৪০০ পিপিএম, কপার ২০ পিপিএম রয়েছে।

:**:ব্যবহার:

পেঁপে, কলা, লেবু, পেয়ারা প্রভৃতি ছোট আকারের ফলদ গাছে বছরে একবার প্রতি গাছের গোড়ায় চারদিকে গোল নালা কেটে গাছপ্রতি পাঁচ কেজি কেঁচো সার দিয়ে ওপরে মাটিচাপা দিতে হবে। শাকসবজির জমিতে কেঁচো সার মিশিয়ে বীজ বা চারা লাগাতে হবে। ধান, পাট প্রভৃতি জলাবদ্ধ অবস্থায় জন্মানো ফসলে বিঘাপ্রতি ৫০ কেজি কেঁচো সার শেষ চাষ-মইয়ের আগে জমিতে ছিটিয়ে দিতে হবে। ফুল গাছে গাছপ্রতি ৫০ থেকে ২০০ গ্রাম সার চারা লাগানোর সময় গাছের গোড়ায় মাটির সঙ্গে মিশিয়ে চারা লাগাতে হবে।

★★সারা বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি করা হয়।

* হোমডেলিভারির ফি আলোচনা সাপেক্ষ।

★আপনার অর্ডারে জন্য কল করুন।
০১৬৭৬৮৯৯৫৪৮
০১৭০৯৯৮৯৩৩৩
০১৯১৪৫০৬০৬৮
★★facebook অর্ডার করতে পারেন।
আপনার নাম, ঠিকানা, মোবাইল নাম্বার আর পন্যের নাম
sms করেন। আর ফোন নাম্বারে sms করতে পারেন।

Additional information

Specification: ★★ছাঁদ বাগানের জন্য ভার্মি কম্পোষ্ট★★

Weight 1 kg

Reviews (0)

User Reviews

0.0 out of 5
0
0
0
0
0
Write a review

There are no reviews yet.

Be the first to review “★★ছাঁদ বাগানের জন্য ভার্মি কম্পোষ্ট★★”

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More Offers

No more offers for this product!

Store Policies

Inquiries

General Inquiries

There are no inquiries yet.

Messenger icon
Send message via your Messenger App
Logo
Reset Password
Compare items
  • Total (0)
Compare
0